This is Saiful Islam Nasar From Feni (Chagalnaya) ,Bangladesh.born at Bhatiary in port city Chittagong. Youngest among four brother with a younger sister. I came of such a family where hardship is the main principle to survive. I spent my childhood in Chittagong city where my father used to run a small pharmacy. I went Bangladesh Military Academy High School, Bhatiary, Chittagong and completed my secondary in 2006 from Technical Training Center. I did my Diploma from Feni Polytechnic in Mechanical Engineering in 2012. Standing be said the unprivileged is my sincere devotion. Have been serving patients especially, unidentified with no family / attendant around, arrived at Chittagong Medical Collage Hospital (CMCH) since though I am not a hospital staff. I have been working as a shipping company’s Technical Officer in Chittagong and happy to spend a significant portion of salary for helpless unidentified patients at C.M.C.H.Usually I spend 5-6 hours every day at C.M.C.H from 06 P.M after my office.

There is a tragic story behind this selfless voluntary service. My father died from kidney failure in 2007. We could not give him proper treatment for money. My elder brothers maintained the family with there little income with lots of hardship and could not afford to continue my fathers treatment. I was a poor 1st year student at that time and could not contribute to my fathers treatment . We knew my father’s both the kidneys were going to be damaged gradually but I could not do anything for his treatment. My father was dying day by day in front of my eyes. Some relatives advised me to take him to the towns for treatment, but I could not afford that. I went to cry in secret, alone. I was baffled and literally broken. Finding no way, I had joined in a garments factory with a low salary but could not save my father, he died without treatment. I lost my father for money just for money.

From then, I had made up my mind and determined to do my best to save the life of helpless. I look forward to stand the beside the helpless patients and create awareness among Hospital authority,doctors, nurses, and patients. Keeping this in mind, I have opened a website which could help to identify the unidentified patients by keeping their photos and updates on them. This web address could also be considered as a common platform for thous who want to serve selflessly like me.I do strongly believe. Love can spreads across the world through human hearts and hands. Please extend your hand & heart to the Humanity. Long live Humanity.

আমার নাম সাইফুল ইসলাম নেসার। গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়ায়। জন্ম ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মেলিটারী একাডেমীতে। স্কুল জীবনে ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মেলিটারী একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে ২০০৬ সালে এস এস সি সম্পূর্ণ করি। ফেনী পলিটেকনিক্যাল থেকে মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টে ডিপ্লোমা সম্পূর্ণ করি। সুবিধাবঞ্চিত পরিচয়হীন মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি সবসময়। ২০০৭ সালে আমার বাবা চিকিৎসার অভাবে মারা যান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আমার বাবার ২ টি কিডনী নষ্ট হয়ে যায়। আমরা ৩ ভাই ১ বোন। আমার ভাইরা আমার কাছাকাছির বয়সের। বড় ভাই ওষুধের দোকানে এবং মেজ ভাই গার্মেন্টসে খুব অল্প বেতনের চাকুরী করত। আমি ফেনী পলিটেকনিক্যালে ১ম বর্ষের ছাত্র ছিলাম। তাই আমার বাবার চিকিৎসার জন্য কোন সহযোগিতা করতে পারিনি আমি। ভাইদের সামান্য বেতনের টাকা দিয়ে বাবার ওষুধের খরচ কিনতে হত। সংসারে টানাপোড়েন লেগে থাকত। পরিবারকে সামান্য সহযোগিতাও করতে না পেরে চোখের জল ফেলা ছাড়া আমার কিছুই করার ছিল না। অনেক বার বাবার চিকিৎসার খরচ যোগাতে ঢাকাতে গার্মেন্টস এ সাধারন চাকুরী নেই। কিন্তু তাতেও সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত বাবা চিকিৎসার অভাবেই মারা যান। সে সময় আমার বাবার চিকিৎসার জন্য তেমন কেউ পাশে দাঁড়াইনি। বাবার কিছু বন্ধুরা কিছু সহযোগিতা করেছিল। অনেকটা চিকিৎসার অভাবেই মারা যান আমার বাবা। বাড়ীতে মাঝে মাঝে বাবার অবস্থা অনেক অনেক খারাপ হয়ে যেত। বাড়ির সকলে ছুটে আসত। বলত নেসার ঢাকা বা চিটাগাং নিয়ে যাও। কিন্তু কিভাবে নিব আমরা অর্থের অভাবে বাবাকে হাসপাতালে নিতে সাহস পেতাম না। বাড়ি থেকে অনেক দূরে গিয়ে বসে বসে কান্না করতাম। সেই থেকে আমার হাসপাতালের অসহায় মানুষ নিয়ে কাজ করা শুরু করলাম। আমার মিশন হল হাসপাতালে অসহায়, নিঃস্ব, স্বজনহীন রোগীদের পাশে থেকে সেবা করা এবং তাদেরকে তাদের নিকট আত্মীয় স্বজনের কাছে ফিরিয়ে দেয়া। তাছাড়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ডাক্তার ও সেবক সেবিকাদের মধ্যে এধরনের রোগীদের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।