www.mdnasar.org
হাসপাতালে পৌঁছেছে অজ্ঞাত মারিয়ার স্বজনেরা ,আপন ভাইরা ইচ্ছে করেই অচেনা ট্রেনের বগিতে তুলে দেয় তাকে!!FB_IMG_1497070368738আজ৯.৬.২০১৭ ইং ভোর ৫:০০ টায় গাজীপুরের শেষ প্রান্ত শ্রীপুরের কাউরাইদ থেকে চট্টগ্রাম এসে পৌঁছেন মারিয়ার বড় বোন ও তার রিক্সা চালক দুলাভাই।মারিয়ার আপন ভাইদের অত্যাচার আর শোষনে পাগল প্রায় মারিয়া।বিয়ের পিড়িতে বসা হয়নি তার।৮ বছর আগে মা- বাবাকে হারান।জীবিকা নির্বাহের জন্য এক সময় ওমান প্রবাসে পাড়ি দেন।মাসিক উপার্জনের টাকা মারিয়া ভাইদের কাছেই পাঠাতেন।কিন্তু ভাইয়েরা মারিয়ার কষ্টার্জিত টাকার কোন সঞ্চয় রাখেনি।আস্তে আস্তে তার বাবা- মার দেওয়া সামান্য কিছু জায়গা থেকে বঞ্চিত করে তার ভাইয়েরা।ওমানে শারীরিক ভাবে নির্যাতিত হতে থাকে সে।বিদেশ থেকে খবর আসে মারিয়া মানসিক রোগে আক্রান্ত হয়ে গিয়েছে।তার বড় বোন মনিরা আক্তার সুদের উপর টাকা নিয়ে ওমান থেকে ফিরিয়ে আনেন তাকে।কিন্তু তাতে কি লাভ? মারিয়ার ভাই ও ভাইয়ের বৌ দের অত্ত্যাচারে দিন দিন বারতে থাকে।খাওয়া-দাওয়া কাপর, ইত্যাদি দেওয়া সম্ভব হয়নি ভাইদের।এদিকে ভাইয়েরা ও দিনমজুর।আর্থিক ভাবে খুবই দুর্বল তারা।৮ মাস আগে কোন এক দিন ভাইয়েরা যুক্তি করে মারিয়াকে ট্রেন এর বগিতে তুলে দেয়।এরপর মারিয়া হয়ে যায় নিরুদ্দেশ। হয়ে যায় অজ্ঞাত।সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালেই হয়ে যায় অজ্ঞাত রুগি।এরপর শুরু হয় মারিয়ার ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার চেস্টা।কিন্তু তার সঠিক ঠিকানা না দিতে পারায় তার ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।এরপর বাংলাদেশ তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট এর সাহায্য নিয়ে অবশেষে কাউরাইদ ইউনিয়নের মেম্বারের নাম্বার সংগ্রহ করি।মেম্বাররের সাথে অবশেষে কথা হয়।মেম্বার সাথে সাথেই তার পরিবারের সাথে মোবাইলে কথা বলিয়ে দেয়।এরপর আজ ভোর ৫:০০ টায় মারিয়ার বড় বোন ও বোন জামাই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে এসে পৌছে।কৃতজ্ঞ Forhad Milonমিলন এর কাছে। সেহরি খাওয়ার পরপরই মারিয়ারর সজ্বনদের রিসিভ করতে চলে আসে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে।আর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের দায়িত্বরত পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা জহির ভাই মারিয়ার খোজ দিয়ে সহযোগীতা করেছিলেন।তা না হলে এভাবেই অজ্ঞাত হয়ে হাসপাতালের বারান্দায় পরে থাকত।উনার প্রতিও কৃতজ্ঞ।

প্রসঙ্গত ঃ ১ বছর আগেই কোন এক সময় পরিবার থেকে আলাদা হয়ে যায় মারিয়া খাতুন।অজ্ঞাত এই মহিলাটি ২৮.০৪.২০১৭ ইং ২৫ নং ওয়ার্ড এর ,fx নং বিছানায় ভর্তি করা হয়।কিন্তু এর আগেও অনেক বার ২৫ নং ওয়ার্ড এ ভর্তি হয়েছিল এই অজ্ঞাত মহিলা।বয়স আনুমানিক ৩০ বছর।ধীরে ধীরে ঠিকানা বলার চেষ্টা করছেন তিনি।তার দেওয়া ভাষ্য মতে,তার বাড়ি গাজীপুর ,শ্রীপুর উপজেলার কাউরাইদ ইউনিয়ন এড় ৭ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা। তার নাম মনিরা আক্তার,পিতাঃকেফায়েত উল্লাহ,মাতাঃমালেকা বেগম,তারা ২ ভাই,২ বন,ভাইদের নাম ,১ সিরাজ ও সুরুজ।আর ২ বোনের মধ্য ১ জন রহিমা ও মনিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *